Envisioning Society…

SUMANA SAHA

   Disasters and threats of disasters of all kinds, global and local, raise their snarling heads over our societies, casting shadows on the news bulletins and front pages. There’s nothing particularily new about this. But it does demonstrate that society is still liable to change, if only because it must adapt to the world that societies themselves change. This awareness of the inevitability of change, and the nagging awareness of imperfections in the current processes of politics and economics, lead to the questions, “What can we make our world into?” and “What will society become?” Those questions are surely rattling around somewhere inside every curious and intelligent mind. But to discover good answers, we first have to understand what society is, how it works and the possibilities of change it presents given limitations of various kinds.

By ‘society’ I mean a collection of individuals interacting and making a living together. The point of the functioning of any society is therefore surely to benefit the individuals composing it, then other involved parties. So a basic question of humanitarian political philosophy is, what are the best ways for a society to benefit its people, and then the world? Our world currently faces problems of overpopulation, migration, environmental damage, climate instability and terrorism, and new challenges arise all the time. How must society change to deal with these issues?

Such puzzles in turn spawn questions about core values. What values are necessary for human social life? Justice? Beauty? Equality? Truth? Pleasure? What values are not strictly necessary but still desirable? And how do we prioritise our values? Allow me to add as an important but underrated question of social development, how do we best accommodate the fact that values change? A familiar example of the problem of prioritising values is the perennial issue of balancing a person’s rights and their responsibilities – which itself is an aspect of the problem of balancing individual freedoms against wider social benefit.

This sort of social thinking is always in flux. And once reeled in, the answers to such questions can be further questioned, and should be. Yet once we’ve answered all these questions we can finally ask: how could society work so that our necessary values thrive, and our other values too as far as possible?

Such thought experiments could bear fruit. For instance, can we conceive a world that has solved the global migration crisis? What would it look like? Once we’ve imagined it we can start to create it. So it is for all the major social problems we face. Imagining what a society functioning well according to our core values could look like, is certainly a start; and to get a boulder rolling it’s sometimes enough to see that there are possible good ways to nudge it.

Apart from questioning its principles, another good way of deepening our understanding of any society, in terms of both its reality and its potential for change, is by seeking new perspectives on it; by looking at it in different, novel ways. Not only are our horizons expanded by this, but otherwise hidden assumptions about our world may also be brought into the spotlight, sometimes for the first time. The purpose is not to nurture dissatisfaction, but to loosen imagination. Think big, and think deep.

The Coveted Spring

UTSAB CHANDA

Image result for SPRING

The coveted spring,
Sprang up within,
Hoodlums of the nature..
Pathetic creature…
Their lecherous peep,
Still way too deep…lies
Failed courtship with their stomach…
Weeks, since the last crumb..
Of bread that slithered in ..
Lullabying hunger in broken slumber
Yet still awed by that cruel fruit..
That hangs above…
And shows him his place..
Mocking his debility
The hoodlums of nature..
Pathetic creature..
The castaway was here…
And they say spring feeds all…?

রোজনামচা_ভালোবাসা

SOURAV SARKAR

Image result for busy city streets at night

একটা সন্ধ্যে নামার মুখে ভেজা কলকাতা
হঠাৎ করে উঠে পরা ট্রামের দ্বিতীয় শ্রেণী
একটা তাপ্পি মারা পুরনো শার্টের হাতা
ভালবাসা বলতে আমি এইটুকুই জানি।

একটা দম দেওয়া ঘড়ি যা কোনদিন বন্ধ হয়না;
একজন বেশ্যা যার শুধু বয়স বেড়ে গেছে
এখন আর সে খদ্দের নিয়মিত পায় না
তবু বেঁচে থাকার ইচ্ছে তার আজও রয়েছে।

একটা হত্যার পরিবর্তে আরও একটা হত্যা
একটা মিথ্যে যার ছিলোনা তেমন প্রয়োজন
কোন রাতে হয়ত হঠাৎ কেঁদে উঠবে সত্ত্বা
ভালবাসা বুঝে নেবে তার নিজস্ব ওজন।

একজন ইস্কুল মাষ্টার যিনি রিটায়ার করে গেছেন
তবু পারিশ্রমিক ছাড়াই আজও পড়িয়ে যান
প্রথম বার বীজগণিত শেখানোর প্রবল উদ্যমতায়
ভালবাসা করে যায় আজও তার নিজস্ব বীজ রোপণ।

একটা অনেক দিন পর শোনা পুরনো প্রিয় গান,
কিংবা মিলতে না চাওয়া ছন্দের পর আসা কোন কবিতা,
একটা গ্রীস্ব দিনে করা প্রথম পুকরের চান,
এসবের দরকার না থাকেলও থেকে যায় প্রয়োজনীয়তা।

সেই সাইরেন যেটা সময় মতো বাজবেই,
কিছু পথের শিশুর উদ্দাম হাততালি।
সেই ফুচকাওয়ালা যে রোজ হেকে যাবেই,
আমি এদের মধ্যে দিয়েই তোমাকে ভালবেসেছি।

সব চরিত্র কাল্পনিক

DIPAYAN ADHIKARY

Image result for guy looking out the window

মাথার ঘাম মুছতে মুছতে আজও যখন বাসের ছোট্ট জানলার অলিন্দ দিয়ে বাইরে উকি মারি..
দেখি.. কিছু পাল্টায়নি..
বদলায়নি রাস্তার একদিকে জমে থাকা wooden আসবাবের দোকানের কোলাহল, বদলায়নি তোর আমার দাঁড়িয়ে থাকার সেই প্রাচীন চাতাল । বাসের দ্রুত গতির সাথে চোখ মিলিয়ে ধরে থাকার চেষ্টা করি – আমাদের সেই রঙিন ফ্রেমের সেই অবয়ব অতীত ।
কিন্তু কোই ? পারলাম না তো ।
আসলে আমার সাথে চলতে থাকা জীবনের রমরমা “ব্যবসা” তা পেরে উঠতে দেয়নি ।
জানিস, আজও মনে পরে সেই ১৫ মিনিটের সাক্ষাতে দুজনের সারাদিনের ক্লান্তি দূর করার অক্লান্ত চেষ্টা, মনে আছে তোর, পাশাপাশি দাড়িয়ে হাত দিয়ে আমার তোর হাত ছুঁতেই তোর কিছু না বলে মাথা নীচু করে চলে যাওয়া ? স্পর্শটা আজও জীবিত । কিছু বদলায়নি… কিন্তু আজ বৃষ্টি তার আঁচল দিয়ে মুছে ফেলতে চায় আমাদের সুখের সেই দিনগুলো । কেন কে জানে ? হয়তো নতুন হয়ে ফিরে আসবে বলে ।
আচ্ছা ?
কিছুই কী বদলায়ইনি?
উহু…
বদলেছে তো ।
বদলেছে তোর জীবনকে দেখার কায়দা । বদলেছে ভালো থাকার কিছু ধরন । সব তো ভালোই ছিল ?
তাহলে কেন আজ সবাই মিলে আমায় হাড়িয়ে দিলি ? আমিতো অভিমান, রাগ সবটা নিয়েই চলে গেছিলাম – আমিতো ভুলে যেতে চেয়েছিলাম তোর সব দোষ – গুন । তবে কেন ? আবার আমার রাগ-অভিমান-গর্বের সাম্রাজ্য ভেঙে দিয়ে ফকির হতে বাধ্য করলি ? কেন ?
তবে কী … ?
তুই ফিরবি…?
আবার কী পুজোয় অষ্টমীতে তোর পছন্দের সেই মেরুন পাঞ্জাবী পড়ে দাঁড়াব তোর বাড়ির সামনে ?
না না । কাদছিনা ।
চোখে জল আমার আসে না, আসেনা মুখ গোমরা করে রাষ্ট্র করতে নিজের অবস্থা । শুধু পারি হাসতে । খুশিতে হাসতে, কষ্টে হাসতে । দেড় বছর এমনি এমনি কাটেনি, একটা দিনও যায়নি যেদিন জানলার ফাঁক দিয়ে তোর আসার “অপেক্ষা” করিনি ।
কিন্তু….
আসিসনি তুই…
আসতে হয়নি তোকে, আসতে হয়নি তোকে বলতে যে তুইও ভালবাসতিস আমায়…
নাকি … ?
ভালবাসিস .. ?
নাকি আজও সবটা তোর আমায় ভুলিয়ে রাখার সাজানো-গোছানো নাটক ?
তবে আজও তোর অপেক্ষা শেষ হয়নি ?
হয়তো সেটাও তোর বলা বারন…
আমি আর পারিনি জানিস । জীবন সব কিছুর শেষে এনে দাড় করিয়েছে । আমার অপেক্ষা কি তাহলে কখনওই শেষ হবে না ?
নাকি “অপেক্ষা” –ই আমার শাস্তি । শাস্তি তোকে সেদিন ভুল বোঝার ? তোকে সেদিন বাধ্য করার ফিরে যেতে শূন্য হাতে ?
সেই তো…
তুই তো এসছিলি সেদিন…
একবার বুকে চেপে ধরে তোকে, কাঁদতে পারতাম না ? ভাসিয়ে দিতে পারতাম না নিজের অভিমান-রাগকে চোখের জলে ?
বলতেই তো পারতাম – “কি হয়ছে ? আমি আছি তো নাকি ? সারাজীবন থাকবো তো । কাঁদছিস কেন বোকার মতোন ?
হুহ… ( ঠোটের কোনে হাসি টেনে )
সেদিন যখন মুখ ফিরিয়ে ছিলাম তাহলে আজ কেন চোখে জল আসে রোজ রাতে ?
আজও তো ইতিহাস ঘেটে তোর নামেই হাত বোলাই…
সব তো কালো বাষ্পে মিশে শেষ হয়ে গেছে ।
বাক্য আজ ব্যর্থ ।
আবেগ আজ ক্লান্ত ।
আজ বিকল্পের বাজারে তোর হয়তো অপেক্ষা শেষ … কিন্তু…
আমার অপেক্ষা শেষ হবে তোর আঙ্গুলের ফাঁকে ঠিক আগের মতো নিজের আঙ্গুল রেখে…..
ভালো থাকিস…
অপেক্ষায় রইলাম…..

Wait isn’t over….

SOURAV SARKAR

Image result for lonely boy at night in room with guitar

The shaky finger rolled over the ENTER key; but he just could not press it. Panic-driven he was, checking and rechecking for every spelling and grammatical mistake. He could not find any. How can he? He has been typing those 100 words every night for the last 2 months.

Shamik took up his guitar: – one of the few things that has still kept him going these days. The solitude of the room at night and some random chords that he will play now :- D minor being his favourite. He just does not feel like doing anything after returning from office:- he has been off social media since quite a few months now; he does not watch movies or listen to songs which once used to be his favourite pass time; he does not even go out for dinner most of the days and does with some biscuits for the whole night. He will absolve himself in the chords, think of some good old people and time (unbiased with regard to gender), will at times cry(a closed dark room and solitude has seen many gallant’s sobs) and then will end up smoking some weed. He hasn’t smoked ever in his high school or college even after a lot of persuasion and peer pressure. But somehow here, the loneliness of the distant city has gifted Shamik a stick of marizuana on these solitary nights of his quarter room.

No this should not have been that pensive a story; neither is Shamik an emotional psychopath. He has completed his education with proper dignity and now has got a decent job outside his hometown. He has a family from where he gets a call almost every day and the conversation mostly starts with ‘how are you?’ and ends within a minute’s span. He has some old friends out there in different parts of the country (some even abroad) who all are tangled in their own knots of life but still manages to call up Shamik in decent intervals. Shamik has a girl too:- a half-girlfriend type(that’s what he says about her) from whom he gets a call in every 2/3 days(the frequency has decreased in the past few months). Shamik has an affable group of work-colleagues who have all recently stopped inviting him to their weekend parties and gatherings(only after Shamik has declined many such invitations in past) but they do care about him. But somehow in the nights, Shamik ends up convincing himself that he is alone.

Shamik tries to figure out his problem every night; but he can’t figure it out. Yes he doesn’t like his job. He doesn’t like to sit in front of that square machine every day for 8/9 hours. He feels sick every morning at the mere thought of going to that very office. The only day he is charged to go to the office is probably the day when he gets the remuneration. But this Shamik only was mad about getting the job 2 years back. How happy all were – family, friends, relatives after Shamik converted the interview. Dreams shining in their eyes and Shamik being the torch holder of their dreams. He felt very satisfied that day and was very happy too. Well wait a minute :- Is Satisfaction and happiness the same thing?

Shamik used to play the guitar from his high school days. He was praised by many. At college Shamik was part of the college band. Like all said, he an immense power to convert people’s thoughts into music. He had also been a part of quite a few stage shows. His performance at the college festival night:- he considers it to be the best day of his life when the audience gave him a standing ovation. Besides playing the guitar, Shamik also tried writing songs of his own and giving them music. The dream was to make big :- he dreamt of being the Bob Dylan of Bengal.

Every morning Shamik wakes up to find his guitar lying somewhere on the floor. His laptop which he forgets to shut down goes to sleep mode. He opens it, deletes the recipient and last few lines of the resignation letter that he types every night but fails to just click on the ‘send’ button. He saves it in the drafts folder and lifts himself up. A day with all its filth is waiting for him. He will now have to get ready to fit in it. The office awaits him. The guitar and the solitude will have to wait for him till night again. Somewhere far away, his family will be waiting on the 1st day of the month when Shamik sends them the cheque. A girl is waiting for Shamik; probably she won’t (cant) for many days more.

Shamik is also waiting :- he is waiting for the day(or the night) when he can just press that ‘ENTER’ key after typing the letter; without hesitation.

অপেক্ষায় রইলাম

TRISHA GHOSH

Image result for person waiting sadly for a phone call

অনেকদিন ধরেই তুই আছিস আমার mobile এ
কোনও ছবিতে না, contact list e ও না,
খুব অপ্রয়োজনীয় অথচ প্রয়োজনীয় বটে
পরে আছিস blocklist e…
অচেনা কোনো no দেখলেই বুকটা কেঁপে ওঠে
ফোনের ওপারে তোকেই খোঁজার চেষ্টা চলে …
তুই হয়তো ভাবছিস আজ আমার আর
প্রয়োজন নেই তোকে,
বিশ্বাস কর অপ্রিয় না তুই
খুব প্রিয় হতেও পারলিনা এ জীবনে
চলার পথে মাঝে মাঝে বৃষ্টি নেমে আসে,
মেঘ ডাকেনা,বাজ পরেনা,তবুও বৃষ্টি হয়
চোখের দিকে চাইলে বুঝবি ,
এ তো সেই বরষা নয়
রাতের বেলায় জীবিত তুই headphone – এর গোরায়
তোকে আমি ছুঁতে পারি আমার কবিতায়
ফিরতে আর পারবি না তুই জানি
তুই যে অন্য কারোর, ভুলেও হয়তো গেছিস
তাও তোর অপেক্ষায় রইলাম আমি
অচেনার ভিরেই তোকে কোনোদিন খুঁজে পাব
হয়তো সেদিন বলবি, “ রোজ একবার করে ph করতাম,
Unblock করে দিয়েছিস এরম ভাবতা্‌ম,”
বলবি ,”আমি রোজ ভুল ছিলাম্‌,”
হয়তো বা এটা বলবি,” অপেক্ষা তোর একার ছিল না
অপেক্ষা ছিল আমার ও “
অপেক্ষায় রইলাম

Deodorant

SOURAV SARKAR

Image result for talking to lover over phone

একটি নিতান্ত সাধারণ প্রেমকাহিনী

মনের গহীনে জ্বালো হ্যারিকেন আলো
ফেলে বাসি টকডাল এসো বাসি ভালো।
ফুল-গাছ-পাখি নিয়ে চল কবিতা লিখি
স্নান সেরে এসে মোরা deodorant মাখি।

একদা সময় ছিলে বিদ্রোহী কবি
চুল-গোঁফ-দাঁড়ি নেড়ে খিস্তাতে রবি।
বজ্রকঠিন প্রাণ, শুনতে জীবনমুখী গান
হঠাৎ কী করে জানি নিল entry শাহরুখ খান।

এরপর কটা দিন স্বর্গ-সপ্তমে
শুনেছিলে সবারই এমনটাই হয় প্রথমে।
গোঁফ কেটে চুল ছেঁটে হলে উলঙ্গসম ক্রমে
রাতজেগে প্রেমালাপ আর ফোন্ এলে বাথরুমে।

পরন্ত বিকেল আসত, হাতে স্বল্প সময় নিয়া
চেনা ঝোপ-কোন সমেত ময়দান-ভিকটোরিয়া।
প্রিনসেপ ঘাটের নৌকা বিহারে মম
অনুভূতি ঠিক যেন Titanic সম।

তারপর একদিন পরল পকেটে টান
ভাবলে রক্ষা করবে তোমায় সুমনের গান।
“প্রথম ঝাড়া পয়সা” দিয়ে কিনতে বিশেষ উপহার
ধরা পরে বাবার হাতে বেদম প্রহার।

এরপরে গল্পতা হালকা emotional
উপহার ছাড়া প্রেম হয় শুধুই fictional।
কিছু দিন ন্যাকা-একা হয়ে চেনা পথঘাট হেঁটে
নব উদ্যমে ফিরে এলে দ্রুত রেটে।

এমনটা হয় নাকিঃ প্রশ্ন করতেই পারেন
বিরহ ভুলতে লোকে ধরে দিশি থেকে ফরেন।
মধ্যবিত্ত প্রেমিক কেমন হয় আমি জানি
আসলে এটা একটা নিতান্ত সাধারণ প্রেমকাহিনী।