Bengal – The Cultural Epicentre

SUMANA SAHA

Image result for kolkata

The cultured celebrate her

The core of culture, they call.

The evenings, they say,

Bubble with life!

The perfect combination

Of Yellow and blue

Giving rise to green.

The sun above,

The rivers and seas below,

Converging where born

The green hub of the nation!

Rustling flowers for worshiping,

Using washrooms in nearby malls while roaming,

Treating tenants as poor,

And not listening to anyone.

A mandatory mango-mustard after lunch,

A compulsory nap in the afternoon,

Shouting at maids all day,

Claiming to be the best cooks,

At the most a fay or two

Without rice and fish!

Conservative to stick to own norms,

But not opposing to others’,

A culture so aged and diverse

And yet so unified and original!

Advertisements

A walk in the evening.

SUMANA SAHA

Image result for city of joy

The cultured celebrate her as the city of joy.

The evenings here, they say, bubble with life.

Yet I see no destination in the eyes of the men about.

Am I the much hated cynic blind to the value of the animated bursts of infinite passion,

Manifested in a sea of humanity?

Or are these faces without features a mere product of my imagination,

Rather the lack of it? I see faces, lifeless and dumb,

Celebrating a party that was long over.

I see evening shops and offices shuttering down,

Fire used to seek blessings and protection.

Is there anything left to be protected?

Can anything be protected?

Cars honk, autos abuse, buses screech;

Men are silent…and safe. Time creeps….

The Best Years

SUMANA SAHA

15230727_1821194604760637_3432966165981673533_n

I lie awake in bed
with thoughts swarming around in my head,
the memories come flooding in
Of old times with my kin;
I can’t believe I am graduating from four years of stress,
But those years were definitely the best.
I’ll miss my friends dearly.
Oh, how they have shaped me to be the best me I can be.
Time flies, so enjoy it while it lasts.
Work hard and do well, but make it a blast.
You’ll miss your family and living at home,
But the real world is awaiting, it’s your time to glow.

It’s your time, and no one can stop you.
Trust me, life will shock you.
You’ll have obstacles, no doubt,
But whatever gets in your way, find a different route.
You’re wise,
So you won’t listen to the ones who tell you otherwise,
Simply be the best you can be,
And when you succeed, please don’t forget me.

শেষ ঠিকানা

সকালবেলায় ঘুম থেকে উঠে চমকে উঠলো পরিতোষ..70টা Missed call!!! খুব চিন্তায় পরে গেলো সে..বাড়ীতে আবার কোনো বিপদ হলো না তো??? রাতে অফিস থেকে ফিরেও কাজের খুব চাপ ছিলো তার ফোন টা সাইলেন্ট রেখে কাজ করতে করতে কখন যে ঘুমিয়ে পরেছে তার খেয়াল নেই…ফোন করলো বাড়ীতে.. ইদানীং তার আর বাড়ী যাওয়া হয়ে ওঠেনা কিছুটা কাজের চাপ আর কিছুটা অনিচ্ছা.. এমনকি ফোনেও খুব যে কথা হয় তাও নয়…কিন্তু কই কেউ তো তোলেনা তার ফোন..তার চিন্তাটা আরো একটু বাড়ে… পর পর 9-10 বার ফোন করলো সে তবু কোনো উত্তর পেলনা…সময় তখন সকাল 6টা..অফিসে অনেক কাজ তৈরি হতে হবে অফিসের জন্য..বিছানা ছেড়ে উঠে পড়লো সে..রোজগার মতো সব কাজ করছে সে তবু মনটা আজ ভালো নেই তার একটানা 2মাস বাড়ীর সাথে তার কোনো যোগাযোগ নেই..তার বাবা মা তার পাঠানো টাকাটাও আজকাল ফেরত পাঠিয়ে দেয় তাকে… … … …
কাজের মধ্যে ডুবে যায় সে সারাদিন তার আর মনেই থাকে না বাড়ীতে ফোন করার কথা..রাতে অফিস থেকে বেরোবার সময় হঠাৎ মনে পড়ে তার সকালের কথা আবার ফোন করে বার বার ফোন করে সে, কই কোনো জবাব দিচ্ছেনা তো কেউ…আজও তার অনেক কাজ বাড়ী ফিরেই বসতে হবে তাকে..তবে আজ আর ফোন টা সাইলেন্ট করেনি সে কিরকম অজানা অস্থিরতা ঘিরে ধরেছে তার মন টাকে…আজও কালকের মতো কাজ করতে করতে সে ঘুমিয়ে পরে..সকালে উঠে সে চমকে ওঠে আজও তার ফোনে 70টা Missed call..কিন্তু তার পরিস্কার মনে আছে কাল রাতে সে তার ফোন সাইলেন্ট করেনি তাও এত বার ফোন বাজলো সে শুনতে পেলো না ফোনটাই বা সাইলেন্ট হলো কি করে.. সে ভাবলো রাতে কোনো ভাবে হাত লেগে কি তবে সাইলেন্ট হয়ে গেছে?? তাই হবে হয়তো সে আজও ফোনের পর ফোন করে গেল উত্তরটা সেই এক রয়ে গেলো…তবুও অফিস তো যেতেই হবে কোনো উপায় নেই তার, কিন্তু আজ সারাদিন মন বসলো না তার কাজে… সারাদিনে অন্তত 40 50বার তো হবেই ফোন করেছে সে… চিন্তা হলো খুব অন্য কারোর নাম্বারও নেই তার কাছে, কয়েক মাস আগে তার আগের ফোনটা চুরি গেছে কি করবে ভেবে পেলো না বাড়িতে যাবে?? কিন্তু এখন বছরের শেষ অনেক দায়িত্ব তার ওপর সে বারবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হলো.. এই ভাবে কিছুদিন চললো, রোজ রাতে তার ফোনটা এক রহস্যময় ভাবে সাইলেন্ট 70টা মিস কল!!!!!! সব সময় তার মনে হতো কোনো এক অদৃশ্য ছায়া তাকে ঘিরে রেখেছে আষ্টেপৃষ্ঠে! সে আর থাকতে পারেনা প্রতিদিন এই এক জিনিস কি হচ্ছে তার সাথে এটা??? অফিসের কজে ভুল করে ফেলছে বস এর সাথে রোজ ঝামেলা লাগছে তার… সে মনে মনে ঠিক করে আর না এবার ফিরতেই হবে তাকে রোজ তার বাবা মা ফোন কেন ধরেনা তা জানতেই হবে তাকে…ছুটি নেয় সে….
তার বাড়ি কলকাতা শহর থেকে অনেকটা দূরে..”কাশীহারা” বর্ধমান জেলার একটা ছোট্ট নির্ভেজাল গ্রাম..গ্রাম্য পরিবেশ থেকে উঠে আসা পরিতোষের শহরের সাথে মানাতে একটু অসুবিধা হয়েছিল শুরুতে, কিন্তু আজ সে নিজেকে সাজিয়ে নিয়েছে শহরের ধাঁচে..আজ প্রায় 10বছর পরে গ্রামে পা দিলো সে, এ কয়েক বছরে অনেক পরিবর্তন হয়েছে গ্রাম টার সেই কাঁচা রাস্তা মাটির বাড়ি আর নেই..তবে বাড়ির পাশে বুড়ো শিব তলাটা একই আছে সেখানকার মানুষ নদী পুকুর গাছপালা সব একই আছে..
হঠাৎ সে খেয়াল করলো গ্রামের সবাই তার দিকে কৌতূহলী দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে..হয়তো এ কয়েক বছরে তার অনেক পরিবর্তন হয়েছে বলে, শহরের ছাপ লেগেছে তার গায়ে…সে এসব এর তোয়াক্কা না করে এগিয়ে চলল বাড়ির দিকে..
সময় তখন 5টা, নভেম্বর মাস একটু তাড়াতাড়িই সন্ধ্যে হয়ে যায় এখন..মূল ফটকদ্বার থেকে তার বাড়ীটা একটু ভেতরে পুরোনো আমলের দু’মহলা জমিদার বাড়ী আজ দেখাশোনার অভাবে বাড়ীটির একটা দিক ভেঙে পড়েছে.. এতো বছর পরে বাড়ীতে ফিরে আনন্দের পাশাপাশি এক গা ছমছমানি ভাব হচ্ছে তার… চারিদিকটা অন্ধকার, আলোর রেখাটুকুও কোথাও দেখা যাচ্ছে না… এদিকে তার ফোনের চার্জটাও আজ গেছে… হাতড়াতে হাতড়াতে বাড়ির ভেতরে ঠুকলো সে.. কিছুক্ষণ মা বাবা কে ডেকেও সারা পেলো না সে..উপায় না পেয়ে অন্ধকারে ওপরে যাবার সিঁড়ি খুজলো এতো বছর এখানে থেকেছে সে তাই খুব একটা অসুবিধা হলো না তার খুঁজে নিতে..আস্তে আস্তে সে উপরে উঠলো..সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠেই একটা গাড়িবারান্দা আর তার বাঁ হাতে 4টে ঘর.. সে মাকে আবার ডাকলো এবারেও কোনো উত্তর নেই..চারিদিকে কিরকম গা ছমছমানি ভাব হালকা ঠাণ্ডা হাওয়া বয়ে আসছে উত্তর দিক টা দিয়ে.. পিছনের একটা ঘরে আলো জ্বলে উঠলো হঠাৎ করে ভয়ে তার হাত থেকে ব্যাগটা পরে গেলো..সে আস্তে আস্তে সেই ঘরের দিকে এগিয়ে গেলো… দরজা বন্ধ, হালকা ঠেলা দিতেই দরজাটা খুলে গেলো সশব্দে.. একটা তীব্র ঝাঁঝালো গন্ধে তার নাকটা ঝাঁঝিয়ে উঠলো.. অনেকটা কোনো জন্তু মরে পচলে যে গন্ধটা হয় ঠিক সেই রকম… এরপর তার আর কিছু মনে নেই পরের দিন সকালে যখন তার জ্ঞান ফেরে তখন সে এক চায়ের দোকানের বাইরে…স্থানীয় কিছু লোকের কাছে খবর পায় তার মা মারা যাবার পর তার বাবা আত্মহত্যা করে..কিছুদিন পর তারা গন্ধ পেয়ে সেই ঘরের ভেতর থেকে তার বাবার মৃতদেহ উদ্ধার করে…তার সাথে নাকি গ্রামের লোকেরা যোগাযোগ করার অনেক চেষ্টা করেছিল কিন্তু করতে পারেনি তাই তারাই তার বাবার শেষ কাজটা সম্পন্ন করেছিল…কষ্টে দুঃখে ভেঙে পড়ে সে..নিজেকে ক্ষমা করতে পারেনা পরিতোষ… একরাশ কষ্ট নিয়ে ফিরে আসে কলকাতায়.. বাড়ি ফিরে ব্যাগ খুলতেই সে ব্যাগের ভেতরে তার বাবা মা এর একটা ছবি আর একটি চিঠি দেখতে পায় সে… চিঠি টা খুলে সে দেখে……
“স্নেহের বাবু,
আজ তোমার মা আমাকে একা করে দিয়ে পরলোকে চলে গেলো.. এই এতো বড়ো বাড়িতে আমার একা থাকতে কষ্ট হচ্ছে.. এর মধ্যে তোমার সাথে অনেক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছি… তোমার নতুন বাসার ঠিকানা তুমি আমাদের দাওনি তাই হয়তো আমার মৃত্যুর পর তুমি এই চিঠি পাবে… ভালো থেকো সুখী হও
ইতি,
তোমার বাবা….”

এখন পরিতোষ এক মেন্টাল হসপিটালে… খুব সম্ভবত তার অফিসের কলিগরা ই তাকে সেখানে পাঠায়………

অনুশ্রী কর

While we are here we might as well dance!

SUMANA SAHA

Image result for people dancing

Too many people put off something that brings them joy just because they haven’t thought about it, don’t have it on their schedule, didn’t know it was coming or are too rigid to depart from their routine. How many women out there will eat at home because their husband didn’t suggest going out to dinner until after something had been thawed? Does the word “refrigeration” mean nothing to you?
 
How often have your kids dropped in to talk and sat in silence while you watched ‘Dadagiri’ on television?
 
My friend cannot count the times she called her sister and said, “How about going to lunch in a half hour?” She would gas up and stammer, “I can’t. I have clothes on the line. My hair is dirty. I wish I had known yesterday, I had a late breakfast, It looks like rain.” And my personal favourite: “It’s Monday.”… She died a few years ago. They never did have lunch together.
 
Because out here we cram so much into our lives, we tend to schedule our headaches. We live on a sparse diet of promises we make to ourselves – when all the conditions are perfect!
 
We’ll go back and visit the grandparents when we plan a date at CIT Cafe. We’ll entertain when we replace the living-room carpet. We’ll go on a second honeymoon when we get two more kids through college.
 
Life has a way of accelerating as we get older. The days get shorter, and the list of promises to ourselves gets longer. One morning, we awaken, and all we have to show for our lives is a litany of “I’m going to,” “I plan on,” and “Someday, when things are settled down a bit.”
 
When anyone calls my ‘seize the moment’ friend, she is open to adventure and available for trips. She keeps an open mind on new ideas. Her enthusiasm for life is contagious. You talk with her for five minutes, and you’re ready to trade your bad feet for a pair of rollerblades and skip an elevator for a bungee cord.
 
Now…go on and have a nice day. Do something you ‘WANT’ to… not something on your ‘SHOULD DO’ list. If you were going to die soon and had only one phone call you could make, who would you call and what would you say? And why are you waiting?
 
“Life may not be the party we hoped for… but while we are here we might as well dance!”