Major.

SUMANA SAHA

Image result for martyr soldiers

Days were colorless when both of us left home,
Everyday our country land used to bathe in a pool of gory.
You went abroad to study while I stayed back,
Only to witness people staring at the twilight skies
Waiting for a ray of hope amid the blend of light and dark. 
Finally it all ended.
And on this day you return.
I can see you but you can’t see me.
I can see your nine year old waving the tricolor;
And you, with teary eyes, looking at my uniform and medals around.
Slowly you walk up to my photo on the wall with a garland,
With a shivering voice, you utter “Happy Independence Day, Major.” 

Advertisements

Cancer, How?

SUMANA SAHA

Image result for relative taking care of cancer patient

Why, how, what?
Are the things I asked?
As my tears,
Fell against the cold, clear glass.
I don’t want to hear it,
Make it go away.
They’re lying dear,
This can’t be true.
Why did this have to happen to you?
They say they have the cure,
And they tell me they are sure.
How do I believe it, I’m just a little girl.
They bring you through the door.
Why so many cords.
Maybe they fixed you, maybe there is more?
I want them to be done, they have had their fun.
You open your eyes, it’s my biggest surprise.
You mumble you love me,
And I start to crumble.
As I push you through the door in the big chair with wheels.
I know how it feels,
To remember something so terribly real.

হাত সাফাই

খসখস ঝুড়ঝুড় খসখস…….

আচমকা এক আওয়াজে ঘুমটা একটু পাতলা হয়ে উঠলো আমার, সাথেই বড়ো ঘরের দেওয়াল ঘড়িটা ঢং ঢং করে ৪টে আওয়াজ করে উঠলো। এপাশ ওপাশ করেও ঘুমটা আসছিলোনা কিছুতে। হঠাৎ এক আচমকা আওয়াজ কানে এলো খসখস খসখস বেশ কিছুটা সময় ধরেই আওয়াজটা কানে আসছিল। শীতের রাত ভোর হতে এখনো ১ ঘন্টা, এখন এই আওয়াজ টা কিসের সেটা ভাবতে ভাবতে বেশ ভয় লাগছিলো মনে।

এই শীতের রাতেই তো চোরছেচড় দের উপদ্রব হয়, বাড়িতে কোনো চোর ঢুকলো নাতো! আগেই এই খেয়াল টা এলো মাথায়। ক্রমাগত আওয়াজটা খুব কাছে আসতে লাগলো, আর বুকের ভেতরটা ততো দুরুদুরু করে উঠলো। বাড়িতে ছেলে বলতে এখন বাবা, দাদা বৌদি কেউ নেই হঠাৎ একি উপদ্রব শুরু হলো।

বাবা মা নিশ্চিন্ত মনে ঘুমোচ্ছে, কদিন খাটাখাটনির পর তারা খুব ক্লান্ত। মনে মনে ভাবলাম একবার ডাকি ওদের যদি কোনো চোর বাড়িতে আসে আমি কি পারবো ওদের সাথে যুঝতে? কতোটুকুই বা ক্ষমতা আমার, কিন্তু মায়া হলো তাই খুব সন্তর্পণে ধীরে ধীরে বিছানা ছেড়ে নামলাম আলো না জ্বালিয়েই, খুব আস্তে করে দরজাটা খুলে বাইরে এলাম। চারিদিকে ঘন অন্ধকার রাস্তার আলোগুলো আজ জ্বলছেনা। চারিদিক নিস্তব্ধ, যে আওয়াজটা আসছিল সেটা হঠাৎ করে মিলিয়ে গেল আপনা থেকেই, মনে হলো যেন কেউ বুঝতে পেরেছে আমি সজাগ হয়ে গেছি। বড়ো ঘরের ঘড়িটায় ঢং করে ৪.৩০টে বাজার জানান দিলো। আর তার সাথেই ভেসে এলো “আল্লা হুঁ আকবর” এর সুর।

আবার গিয়ে শুয়ে পড়লাম বাবা মার পাশে। সকাল এর আলো ফুটতেই আমি গোটা বাড়িটা তন্নতন্ন করে দেখলাম এঘর ওঘর গোটা বাড়ি, কই না তো কিছু তো missing নেই তবে? তবে ওটা কিসের আওয়াজ ছিলো! সারাটাদিন মাথায় ঘুরপাক খেতে লাগলো ওই অজানা আওয়াজটা। দিন পেরিয়ে রাত হয়ে গেল আবার খেয়ে ঘুমানোর পালা। ততক্ষণে ভোররাতের ঘটনাটা মাথা থেকে বেরিয়ে গেছে।

খসখস ঝুরঝুর খসখস……..
ওই, ওই আবার সেই শব্দ বড়ো ঘরের ঘড়িটা কাটায় কাটায় ৪টের ঘন্টা দিলো।
নাহ…. আজ আর ভয় পেলে চলবে না, আজ আমাকে জানতেই হবে কিসের আওয়াজ এটা, কম্বলটা খুলে আবার খুব সন্তর্পণে বেরিয়ে পড়লাম ঘর থেকে এখনো সেই আওয়াজ, আজও রাস্তার ল্যাম্পপোস্ট এর আলো গুলো বন্ধ। তবু আমাকে জানতেই হবে কিসের আওয়াজ এটা। তাই আজ ফোনটা নিয়েই বেরিয়েছি। সেই খসখস আওয়াজটা এবার খুব কাছে এসে গেছে। ফোন এর টর্চটা জ্বালিয়ে বারান্দায় বেরোলাম কিন্তু কই! কেউ তো নেই এখানে তবে এই আওয়াজটা কিসের কোথা থেকে আসছে কে আছে!

রাস্তার দিকে টর্চ-এর আলোটা ফেলতেই চোখে পড়লো রামু কাকু রাস্তা পরিষ্কার করতে করতে এগিয়ে বাড়ির পাশের গলিটার দিকে চলে গেল আর তার সঙ্গে বড়ো ঘরের ঘড়িটায় ঢং করে ৪.৩০টে বেজে উঠলো, আর তার সাথে আজান-এর সুর ভেসে এলো দূরের মসজিদটা থেকে।।

অনুশ্রী কর

সুখের বাসা

পর্ব- এক

এক ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্ম হয়েছিল একটি মেয়ের নাম, দীপা..
ছোটোবেলা থেকে মামাবাড়ি তে বড়ো হয়ে উঠেছে দীপা, পড়াশোনাও করেছে কিছুটা. কিন্তু মামির ভয়ে খুব বেশি স্বাধীনতা ছিলোনা তার… একটু একটু করে বড়ো হতে লাগলো সে বাড়ির লোক তার বিয়ের ব্যবস্থা করলে তার মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়লো, সে যে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ রমেশ এর কাছে.. “গল্পের সূত্রে বলে রাখি রমেশ তার ছোটোবেলার খেলার সাথী এবং জাতিতে তাদের থেকে নীচুতে..” তা জেনেও দীপা রমেশকে ভালোবাসে.. দীপা তার বাড়িতে জানায় তার মনের কথা কিন্তু খুব স্বাভাবিকভাবেই কেউ মানে না তাদের সম্পর্ক..সে ঠিক করে রমেশ এর সাথে সে ঘর বাঁধবে, পালিয়ে যায় দীপা..

পর্ব- দুই

স্বপ্ন ছিলো সুখের বাসা বাঁধবে ওরা দীপা আর রমেশ, দেখতে দেখতে বেশ কয়েক বছর কেটে গেছে.. রমেশ একটা ভালো চাকরী করছে সুখেই কাটছে তাদের জীবন..এর মধ্যে তাদের জীবনে এক নতুন সদস্য এসেছে, তাদের এক মাত্র সন্তান অনিরুদ্ধ..অনি ছোটো বেলা থেকেই পড়াশোনায় খুব ভালো ক্লাসে প্রথম ছাড়া দ্বিতীয় হয়নি কখনো.. দীপার খুব গর্ব তার ছেলেকে নিয়ে.. ছেলেও মাকে চোখে হারায়..দীপার সুখের সংসার হয় একটু বড়ো কারণ রমেশ একটু একটু করে টাকা জমিয়ে ছোট্ট এক সুখের নীড় বানিয়েছে..দেখতে দেখতে অনি বড়ো হয়ে গেছে এখন সে একটা নামী কোম্পানির সি. ই. ও. মোটা টাকা মাইনে তার..দীপা এখন চায় ছেলের বিয়ে দিয়ে তাকে সুখী দেখতে..খুব ধুমধাম করে বিয়ে দেয় তারা তাদের এক মাত্র ছেলের..দীপার সুখের মাত্রাটা হয়তো বেড়েছিলো আরো একটু…

পর্ব- তিন

অনির বিয়ের 5 বছর কেটে গেছে এর মধ্যে দীপার জীবনে চরম এক দুর্ঘটনা ঘটে গেছে তার ভালোবাসার মানুষটা আজ আর তার পাশে নেই..তবু নিজেকে শক্ত রেখেছে সে ছেলে আর বাবাই এর মুখ চেয়ে..” ও ভুলে গেছিলাম বলতে, অনির ছেলে হয়েছে তার এখন 4বছর বয়স, তার নাম বাবাই..” খুব দুরন্ত সে ঠাকুমা একা হাতে পারেনা তাকে সামলাতে..বাবাইও খুব ঠাকুমা নেওটা অনেকটা অনির মতোই.. দেখতে দেখতে দীপা বৃদ্ধা হচ্ছে সে আগের মতো শক্ত নেই..এখন রোজই রমার সাথে অনির অশান্তি হয়..সে চায় দীপাকে বৃদ্ধাশ্রমে রাখতে সে আর পারছে না একা হাতে সব সামলাতে..কিন্তু লোকলজ্জার ভয়ে অনি তা করেনি..তবে অনির ভালোবাসার মাত্রাটা বেড়েছে অনেকটা..যে হাত একদিন দীপার পা ছুঁত আজ তা গায়ে উঠেছে..দিনের পর দিন অত্যাচার সহ্য করেছে সে..এখন দীপার খুব অসুখ বিছানা নিয়েছে সে তাও অনি ফিরে তাকায়নি মার দিকে যে মা একদিন নিজে না খেয়ে ছেলেকে খাইয়েছে সেই মাকে আজ ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়েছে সে….দীপার এতো সুখ দেখতে পারেনি তার প্রকৃত ভালোবাসার মানুষটি..আজ দীপা রমেশ এর কাছে..এক অন্য জগতে সুখের বাসা বেধেছে নতুন করে দুটিতে মিলে…….

অনুশ্রী কর

শেষ ঠিকানা

সকালবেলায় ঘুম থেকে উঠে চমকে উঠলো পরিতোষ..70টা Missed call!!! খুব চিন্তায় পরে গেলো সে..বাড়ীতে আবার কোনো বিপদ হলো না তো??? রাতে অফিস থেকে ফিরেও কাজের খুব চাপ ছিলো তার ফোন টা সাইলেন্ট রেখে কাজ করতে করতে কখন যে ঘুমিয়ে পরেছে তার খেয়াল নেই…ফোন করলো বাড়ীতে.. ইদানীং তার আর বাড়ী যাওয়া হয়ে ওঠেনা কিছুটা কাজের চাপ আর কিছুটা অনিচ্ছা.. এমনকি ফোনেও খুব যে কথা হয় তাও নয়…কিন্তু কই কেউ তো তোলেনা তার ফোন..তার চিন্তাটা আরো একটু বাড়ে… পর পর 9-10 বার ফোন করলো সে তবু কোনো উত্তর পেলনা…সময় তখন সকাল 6টা..অফিসে অনেক কাজ তৈরি হতে হবে অফিসের জন্য..বিছানা ছেড়ে উঠে পড়লো সে..রোজগার মতো সব কাজ করছে সে তবু মনটা আজ ভালো নেই তার একটানা 2মাস বাড়ীর সাথে তার কোনো যোগাযোগ নেই..তার বাবা মা তার পাঠানো টাকাটাও আজকাল ফেরত পাঠিয়ে দেয় তাকে… … … …
কাজের মধ্যে ডুবে যায় সে সারাদিন তার আর মনেই থাকে না বাড়ীতে ফোন করার কথা..রাতে অফিস থেকে বেরোবার সময় হঠাৎ মনে পড়ে তার সকালের কথা আবার ফোন করে বার বার ফোন করে সে, কই কোনো জবাব দিচ্ছেনা তো কেউ…আজও তার অনেক কাজ বাড়ী ফিরেই বসতে হবে তাকে..তবে আজ আর ফোন টা সাইলেন্ট করেনি সে কিরকম অজানা অস্থিরতা ঘিরে ধরেছে তার মন টাকে…আজও কালকের মতো কাজ করতে করতে সে ঘুমিয়ে পরে..সকালে উঠে সে চমকে ওঠে আজও তার ফোনে 70টা Missed call..কিন্তু তার পরিস্কার মনে আছে কাল রাতে সে তার ফোন সাইলেন্ট করেনি তাও এত বার ফোন বাজলো সে শুনতে পেলো না ফোনটাই বা সাইলেন্ট হলো কি করে.. সে ভাবলো রাতে কোনো ভাবে হাত লেগে কি তবে সাইলেন্ট হয়ে গেছে?? তাই হবে হয়তো সে আজও ফোনের পর ফোন করে গেল উত্তরটা সেই এক রয়ে গেলো…তবুও অফিস তো যেতেই হবে কোনো উপায় নেই তার, কিন্তু আজ সারাদিন মন বসলো না তার কাজে… সারাদিনে অন্তত 40 50বার তো হবেই ফোন করেছে সে… চিন্তা হলো খুব অন্য কারোর নাম্বারও নেই তার কাছে, কয়েক মাস আগে তার আগের ফোনটা চুরি গেছে কি করবে ভেবে পেলো না বাড়িতে যাবে?? কিন্তু এখন বছরের শেষ অনেক দায়িত্ব তার ওপর সে বারবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হলো.. এই ভাবে কিছুদিন চললো, রোজ রাতে তার ফোনটা এক রহস্যময় ভাবে সাইলেন্ট 70টা মিস কল!!!!!! সব সময় তার মনে হতো কোনো এক অদৃশ্য ছায়া তাকে ঘিরে রেখেছে আষ্টেপৃষ্ঠে! সে আর থাকতে পারেনা প্রতিদিন এই এক জিনিস কি হচ্ছে তার সাথে এটা??? অফিসের কজে ভুল করে ফেলছে বস এর সাথে রোজ ঝামেলা লাগছে তার… সে মনে মনে ঠিক করে আর না এবার ফিরতেই হবে তাকে রোজ তার বাবা মা ফোন কেন ধরেনা তা জানতেই হবে তাকে…ছুটি নেয় সে….
তার বাড়ি কলকাতা শহর থেকে অনেকটা দূরে..”কাশীহারা” বর্ধমান জেলার একটা ছোট্ট নির্ভেজাল গ্রাম..গ্রাম্য পরিবেশ থেকে উঠে আসা পরিতোষের শহরের সাথে মানাতে একটু অসুবিধা হয়েছিল শুরুতে, কিন্তু আজ সে নিজেকে সাজিয়ে নিয়েছে শহরের ধাঁচে..আজ প্রায় 10বছর পরে গ্রামে পা দিলো সে, এ কয়েক বছরে অনেক পরিবর্তন হয়েছে গ্রাম টার সেই কাঁচা রাস্তা মাটির বাড়ি আর নেই..তবে বাড়ির পাশে বুড়ো শিব তলাটা একই আছে সেখানকার মানুষ নদী পুকুর গাছপালা সব একই আছে..
হঠাৎ সে খেয়াল করলো গ্রামের সবাই তার দিকে কৌতূহলী দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে..হয়তো এ কয়েক বছরে তার অনেক পরিবর্তন হয়েছে বলে, শহরের ছাপ লেগেছে তার গায়ে…সে এসব এর তোয়াক্কা না করে এগিয়ে চলল বাড়ির দিকে..
সময় তখন 5টা, নভেম্বর মাস একটু তাড়াতাড়িই সন্ধ্যে হয়ে যায় এখন..মূল ফটকদ্বার থেকে তার বাড়ীটা একটু ভেতরে পুরোনো আমলের দু’মহলা জমিদার বাড়ী আজ দেখাশোনার অভাবে বাড়ীটির একটা দিক ভেঙে পড়েছে.. এতো বছর পরে বাড়ীতে ফিরে আনন্দের পাশাপাশি এক গা ছমছমানি ভাব হচ্ছে তার… চারিদিকটা অন্ধকার, আলোর রেখাটুকুও কোথাও দেখা যাচ্ছে না… এদিকে তার ফোনের চার্জটাও আজ গেছে… হাতড়াতে হাতড়াতে বাড়ির ভেতরে ঠুকলো সে.. কিছুক্ষণ মা বাবা কে ডেকেও সারা পেলো না সে..উপায় না পেয়ে অন্ধকারে ওপরে যাবার সিঁড়ি খুজলো এতো বছর এখানে থেকেছে সে তাই খুব একটা অসুবিধা হলো না তার খুঁজে নিতে..আস্তে আস্তে সে উপরে উঠলো..সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠেই একটা গাড়িবারান্দা আর তার বাঁ হাতে 4টে ঘর.. সে মাকে আবার ডাকলো এবারেও কোনো উত্তর নেই..চারিদিকে কিরকম গা ছমছমানি ভাব হালকা ঠাণ্ডা হাওয়া বয়ে আসছে উত্তর দিক টা দিয়ে.. পিছনের একটা ঘরে আলো জ্বলে উঠলো হঠাৎ করে ভয়ে তার হাত থেকে ব্যাগটা পরে গেলো..সে আস্তে আস্তে সেই ঘরের দিকে এগিয়ে গেলো… দরজা বন্ধ, হালকা ঠেলা দিতেই দরজাটা খুলে গেলো সশব্দে.. একটা তীব্র ঝাঁঝালো গন্ধে তার নাকটা ঝাঁঝিয়ে উঠলো.. অনেকটা কোনো জন্তু মরে পচলে যে গন্ধটা হয় ঠিক সেই রকম… এরপর তার আর কিছু মনে নেই পরের দিন সকালে যখন তার জ্ঞান ফেরে তখন সে এক চায়ের দোকানের বাইরে…স্থানীয় কিছু লোকের কাছে খবর পায় তার মা মারা যাবার পর তার বাবা আত্মহত্যা করে..কিছুদিন পর তারা গন্ধ পেয়ে সেই ঘরের ভেতর থেকে তার বাবার মৃতদেহ উদ্ধার করে…তার সাথে নাকি গ্রামের লোকেরা যোগাযোগ করার অনেক চেষ্টা করেছিল কিন্তু করতে পারেনি তাই তারাই তার বাবার শেষ কাজটা সম্পন্ন করেছিল…কষ্টে দুঃখে ভেঙে পড়ে সে..নিজেকে ক্ষমা করতে পারেনা পরিতোষ… একরাশ কষ্ট নিয়ে ফিরে আসে কলকাতায়.. বাড়ি ফিরে ব্যাগ খুলতেই সে ব্যাগের ভেতরে তার বাবা মা এর একটা ছবি আর একটি চিঠি দেখতে পায় সে… চিঠি টা খুলে সে দেখে……
“স্নেহের বাবু,
আজ তোমার মা আমাকে একা করে দিয়ে পরলোকে চলে গেলো.. এই এতো বড়ো বাড়িতে আমার একা থাকতে কষ্ট হচ্ছে.. এর মধ্যে তোমার সাথে অনেক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছি… তোমার নতুন বাসার ঠিকানা তুমি আমাদের দাওনি তাই হয়তো আমার মৃত্যুর পর তুমি এই চিঠি পাবে… ভালো থেকো সুখী হও
ইতি,
তোমার বাবা….”

এখন পরিতোষ এক মেন্টাল হসপিটালে… খুব সম্ভবত তার অফিসের কলিগরা ই তাকে সেখানে পাঠায়………

অনুশ্রী কর

দীপ – শিখা

অনুশ্রী কর

কার্ত্তিক মাস, পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তুলসি তলায় প্রদীপ দেবার চল আজকাল উঠে গেছে বললেই চলে…. এখন তো আকাশপ্রদীপ বলতে ছাদের উপরে একটা বাঁশের উপর একটা বাল্ব…

পলাশপুর নামে ছোট্ট একটা গ্রামের বউ মাধবী, ওর শ্বশুড় বাড়িতে সাবেকিয়ানা এখনও বজায় আছে.. আজও তার বাড়ির উঠোনে তুলসি তলায় ধূপ দেখানো বাতি দেবার চল আছে…
তার বাড়িটা গ্রামের একটু ভেতর দিকে খুব বেশি লোকজন এর যাতায়াত নেই সেই দিকে, আর সন্ধ্যের পর পরিবেশটা আর একটু ঠাণ্ডা হয়ে যায়..
তার শ্বশুড় শাশুড়ী দু দিন হলো তাদের মেয়ের বাড়িতে ঘুরতে গেছে, তার স্বামী নরেনের বাড়ি ফিরতে ইদানীং একটু রাতই হচ্ছে..
প্রত্যেক দিনের মতো সে আজও তুলসি তলায় এসেছে সন্ধ্যা দিতে, প্রদীপের ক্ষীণ আলোয় অস্পষ্ট ভাবে তার ঘোমটা পড়া মায়া ভরা মৃদু হাস্য মুখ খানি যেন মা লক্ষ্মী প্রতিমা…
এমন সময় চারিদিক আঁধার করা অন্ধকারে ভরে গেলো, অন্ধকার হয়ে উঠলো সমস্ত পাড়াটা, আর তার সাথে এক অচেনা গলায় সিস এর আওয়াজ ভেসে এলো তার কানে..
তুলসি তলার প্রদীপ এর আলো টুকু ছাড়া চারিদিক ঘুটঘুটে অন্ধকার..সিসের সেই অচেনা আওয়াজটা ক্রমেই তার কাছে আসতে লাগলো, এক ছুট্টে ঘরের দিকে দৌড়ে যেতে গিয়ে অন্ধকারে পড়ে গেলো মাধবী..ঠিক তখনই পশুর মতো ঝাঁপিয়ে পড়লো কতগুলো নৃশংস মানুষরূপী পশু…
দীর্ঘ আধঘণ্টা আত্ম রক্ষার চেষ্টা করেও অসফল হলো মাধবী..প্রদীপের ক্ষীণ আলোটা হঠাতি তার দীপ শিখাটি বাড়িয়ে প্রতিবাদ করার চেষ্টায় সেও ব্যর্থ হয়ে শান্ত হয়ে গেলো একটা সময়…

#2

Shounak Nandi

 

How often did he think for himself?
Ever?
May be not…
Parent teachers meet.

A surprise awaited for him.
Shoes done? Every bit was stitched, polished to a perfect shine.
” Angels and fairy tales are not for us son”, he recalled.

Well the Angel was standing in front of him.. Dressed tidy, ready for school.